• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৭ নভেম্বর: রাজনৈতিক ঐক্য ও রাষ্ট্র পুনর্গঠনের এক ঐতিহাসিক অধ্যায় কলাপাড়ায় নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার মালামাল চুরি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ শিশু-কিশোরদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

প্রধান শিক্ষক জুনায়েত খানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও অভিযোগের পাহাড়,,,,,দৈনিক ক্রাইম বাংলা

রিপোর্টার: / ২৭২ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০২৪

মোঃনাহিদুল হক কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।। টাকা ছাড়া মেলেনা সার্টিফিকেট। প্রায়ই বিদ্যালয়ে থাকেন অনুপস্থিত। শিক্ষার্থীদের পাঠদানে থাকেন বিরত। উত্তোলন করেন না জাতীয় পতাকা। শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের সাথে করেন খারাপ আচরন। আত্মসাৎ করেছেন বিদ্যালয়ের টিউশন ফি সহ বিভিন্ন ফান্ডের টাকা। বে আইনি ভাবে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ নেয়ায় আদালতে মামলা চলমান। এমনি একাধিক অভিযোগের পাহাড় রয়েছে মানুষ গড়ার কারিগর কলাপাড়ার লালুয়া এস কে জে বি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.জুনায়েত হোসেন খান এর বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী অভিভাবক দুদাল বলেন, ওই স্কুল থেকে আমার মেয়ে তুলি জে এস সি পাশ করেছে। তার সার্টিফিকেট আনতে গেলে ৫০০ টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে সার্টিফিকেট দিবেনা। পরবর্তীতে শিক্ষা অফিসারকে আমার মেয়ে জানালে সে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান।
স্কুলের দাতা সদস্য ও অভিভাবক মো. জরিুল ইসলাম এবং লুৎফর জানান, সে একজন অবৈধ শিক্ষক। স্কুলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের সাথে খারাপ আচরন করে। সার্টিফিকেটের জন্য টাকা দাবি করে। সে ছিল লালুয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। দলের প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করেছে। সে স্কুলের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেনা। আমরা তার পদত্যাগ দাবি করছি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষক বলেন, কোন প্রকার কারন ছাড়াই শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্য মূলক আচরন করেন। আর্থিক অনিয়ম চরমে, তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে বলে জানান শিক্ষকরা।
ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মো.শাহাবুদ্দিন বলেন, আমাদের ভুল বুজাইয়া তিনটি কাগজে স্বাক্ষর নিয়েছে একটি কাগজ প্রধান শিক্ষক নিয়োগে ব্যবহার করেছে। অন্য একটি কাগজ দিয়ে স্কুলটি এখান থেকে অন্যত্র সরানোর কাজে ব্যবহার করেছে। বাকি কাগজটি দিয়ে চতুর্থ শ্রেনীর নিয়োগে ব্যবহার করে ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে। কাউকে না জানাইয়া স্কুলের বিভিন্ন ফান্ডের টাকা আত্মসাৎ করেছে। মাসে ৫ দিনও ক্লাসে উপস্থিত থাকেনা। সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে অবৈধ ভাবে নিয়োগ নেয়ায় আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
এস কে জে বি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.জুনায়েত হোসেন খান বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দেয়া হয়েছে তা সম্পূর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
কলাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার মো. মনিরুজ্জামান বলেন, লিখিতভাবে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.রবিউল ইসলাম জানান, লিখিতভাবে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ