• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা

রিজার্ভ চুরি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৮ ডিসেম্বর,,,

রিপোর্টার: / ১৪৪ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৫

রিজার্ভ চুরি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৮ ডিসেম্বর

নয় বছরেও শেষ হয়নি তদন্ত, নতুন তারিখ দিলেন আদালত

নিজস্ব প্রতিবেদক | দৈনিক ক্রাইম বাংলা | ঢাকা, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৮ ডিসেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) নির্ধারিত দিনে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন এ নির্দেশ দেন।

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে সুইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ অ্যাকাউন্ট থেকে ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার জালিয়াতির মাধ্যমে চুরি করা হয়। পরে সেই অর্থ ফিলিপাইনে পাচার করা হয়, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সাইবার চুরির ঘটনা হিসেবে বিবেচিত।

সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক হ্যাকারদের পাশাপাশি দেশের ভেতরের একটি চক্রও এই চুরির সঙ্গে জড়িত ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওই বছরের ১৫ মার্চ, বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের উপ-পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা মতিঝিল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি করা হয় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধনী ২০১৫) এর ৪ ধারায় এবং তথ্য ও প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৫৪ ও ৩৭৯ ধারায়।

প্রায় নয় বছর পেরিয়ে গেলেও তদন্তের কোনো চূড়ান্ত ফলাফল না আসায় আর্থিক খাতসহ সাধারণ জনগণের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।
সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ বলছেন, “যে ঘটনার মাধ্যমে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ