• সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মিঠা পানির মাছে উত্তরবঙ্গের সাফল্য, রাজশাহী এখন দেশের অন্যতম বৃহৎ সরবরাহ কেন্দ্র বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এমআইএসটি দলকে প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা, তরুণ উদ্ভাবকদের পাশে থাকার ঘোষণা সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে যোগ মানেই ইরানবিরোধী অবস্থান নয়: প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তিন মাস পর আবার এলপিজির দাম বৃদ্ধি, ১২ কেজি সিলিন্ডার ৭০ টাকা বেড়ে ১,৫৯৮ টাকা বেনজীরের জামিন বাতিলে দুবাইয়ে ল’ ফার্ম নিয়োগ, দ্রুত দেশে ফেরানোর আশা সরকারের দুর্গম বান্দরবানে নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, গর্ভবতী ও শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রশিক্ষণ শুরু কলাপাড়ায় বিএনপি সভাপতিকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ, আইনি পদক্ষেপের ঘোষণা নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুললেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৭২ একর খাসজমি বন্দোবস্তে দায় প্রমাণিত, সাবেক ইউএনও শহিদুল হকের এক বছরের বেতন বৃদ্ধি স্থগিত কুয়াকাটায় সংবাদকর্মী কে এম বাচ্চুর ওপর নৃশংস হামলার অভিযোগ, ছাত্রদল-যুবদলের কয়েক নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ

লঞ্চঘাটে সুমনের চাঁদাবাজি বন্ধের দাবীতে মাহিন্দ্র চালক শ্রমিকদের মানববন্ধন/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ৩৩২ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :বরিশাল নৌ- বন্দরে মাহিন্দ্রা, মিশুক (থ্রি হুইলার) ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে লঞ্চঘাটে দীর্ঘদিন যাবৎ ভাটারখাল এলাকার কৈতর সুমন নামের এক চাঁদাবাজ জোরপূর্বক গাড়ি সিরিয়াল দেয়ার জন্য চাঁদা আদায় করে আসছেন। এর প্রতিবাদে বিসিসি মেয়র ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে মানব্বন্ধন ও বিক্ষোভ-মিছিল করেছেন চালক শ্রমিকরা।

আজ ২৭ অক্টোবর,বুধবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে কৈতর সুমন ও তার সহযোগীদের চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি নিয়ে নৌবন্দরের সামনে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন সাধারণ শ্রমিকরা।

শ্রমিকরা জানান, মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে মাহিন্দ্রা ও সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিকদের আয় কমে গেছে। এর মধ্যে প্রতিরাতে নৌ-বন্দর এলাকায় লঞ্চের যাত্রী পরিবহন করার জন্য আমরা গাড়ি নিয়ে আসলে ভাটার খাল এলাকার কৈতর সুমন ও চাঁদমারী মাদ্রাসা গলির রাজিব, ফয়সাল ও মিলন সিরিয়াল দেয়ার জন্য চাঁদা আদায় করেন। আমাদের নানা সমস্যার কথা অনেকবার বলেছি ইউনিয়নকে। তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

একাধিক শ্রমিক জানান, মাহিন্দ্র,সিএনজি যাত্রী পরিবহন করার জন্য লঞ্চঘাট আসলে সুমন ও তার সহযোগীরা সিরিয়াল দেয়ার জন্য অগ্ৰীম ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা এবং প্রতিরাতে গাড়ি প্রতি ১০০ টাকা আদায় করেন। প্রতিবাদ করলে মারধরের শিকার হতে হয়। তাই চাঁদাবাজি বন্ধের প্রতিবাদে আমরা সব শ্রমিক গাড়ি বন্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করি।

এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর শ্রমিকলীগ সাধারণ সম্পাদক পরিমল চন্দ্র দাস, জানান আমি সবসময় সাধারণ শ্রমিকদের পাশে আছি। লঞ্চঘাট বা নৌ-বন্দর এলাকায় কোন গাড়ি থেকে কেউ চাঁদাবাজি করলে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্ৰহন করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ