• শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত

সাবধান! দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে হতে পারে মারাত্মক ক্ষতি,,,,দৈনিক ক্রাইম বাংলা

রিপোর্টার: / ১২৪ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

 

সাবধান! দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে হতে পারে মারাত্মক ক্ষতি
ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ, যেখানে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখাটাই বড় চ্যালেঞ্জ। এজন্য অনেকেই ডায়েটে নানা রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। কেউ কেউ ওজন কমানোর জন্য দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার অভ্যাস করেন। তবে প্রশ্ন হলো – ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষেত্রে লম্বা সময় না খেয়ে থাকা কি নিরাপদ?

 

দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে যা হয়

>> ডায়াবেটিস রোগী দীর্ঘ সময় না খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করতে পারে। এতে হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে শর্করা অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়া) বা হাইপারগ্লাইসেমিয়া (রক্তে শর্করা হঠাৎ বেড়ে যাওয়া) হতে পারে।

 

আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন বলছে, দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে শরীরে ইনসুলিন ও ওষুধের প্রভাবের কারণে গুরুতর শর্করা-সংকট তৈরি হতে পারে, যা প্রাণহানির ঝুঁকিও বাড়ায়।

 

>> তবে ২০১৯ সালে জার্নাল অব ক্লিনিকাল এন্ডোক্রাইনোলজি অ্যান্ড মেটাবলিজম-এর একটি গবেষণা বলছে, লম্বা সময় না খেয়ে থাকলে ডায়াবেটিস রোগীর রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়েও যেতে পারে। বিষয়টা একটু জটিল মনে হলেও চিকিৎসা বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা আছে-

 

>> যখন দীর্ঘ সময় খাওয়া হয় না, শরীর তখন স্ট্রেস হরমোন (যেমন কর্টিসল ও গ্লুকাগন) নিঃসরণ করে। এগুলো লিভারকে সংকেত দেয় জমে থাকা গ্লুকোজ (গ্লাইকোজেন) ভেঙে রক্তে ছাড়তে। এর ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।

 

>> বিশেষ করে টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে ইনসুলিন সঠিকভাবে কাজ না করায় শরীর সেই অতিরিক্ত গ্লুকোজ ব্যবহার করতে পারে না। এতে রক্তে শর্করা আরও বেশি বেড়ে যায়।

 

>> আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনে এর তথ্যমতে, অনেক রোগীর ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় না খাওয়ার ফলে শর্করা কখনো হঠাৎ কমে যায় (হাইপোগ্লাইসেমিয়া), আবার কারও ক্ষেত্রে উল্টো বেড়ে যায় (হাইপারগ্লাইসেমিয়া)।

 

ছোট ছোট অংশে খাওয়ার পরামর্শ

এসব কারণে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের মূল উপায় হলো সঠিক সময়ে সুষম খাবার খাওয়া। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, দিনে তিনবেলার বড় খাবারের পরিবর্তে ৪-৬ বার অল্প অল্প করে খেলে রক্তে শর্করা স্থিতিশীল থাকে। ২০২০ সালে প্রকাশিত জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, ছোট ছোট ভাগে নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

 

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করা যাবে কি

অন্যদিকে বর্তমানে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং অনেকের কাছে জনপ্রিয়। তবে ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষেত্রে এটি করতে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অপরিহার্য। কারণ, কারও কারও জন্য সাময়িক ফাস্টিং রক্তে শর্করা কমাতে সাহায্য করতে পারে, আবার অন্যদের জন্য এটি বিপজ্জনক হতে পারে। হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল স্টাডি বলছে, ডায়াবেটিস রোগীর জন্য ফাস্টিং-এর আগে অবশ্যই ওষুধ, ইনসুলিন ও ডায়েট চার্ট অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে।

 

অর্থাৎ, ডায়াবেটিস রোগীর জন্য দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা মোটেও নিরাপদ নয়। বরং সঠিক সময়ে অল্প অল্প করে খাওয়াই সবচেয়ে কার্যকর। আর নতুন কোনো ডায়েট শুরু করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ