• রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রিমান্ড ও জামিন দুটিই নামঞ্জুর: সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী কারাগারে ২৪ ঘণ্টায় হামে ১১ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্তের ঢল—হাসপাতালে হাজারো শিশু ভর্তি, ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী আটক, আজ আদালতে তোলা হবে—ডিবি হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে,,, ঈদযাত্রায় রক্তাক্ত সড়ক—১৫ দিনে প্রাণ গেল ৩৫১ জনের, আহত সহস্রাধিক,, মব কালচার রোধে জিরো টলারেন্স নীতি—অবরোধ ও বিশৃঙ্খলায় কঠোর অবস্থানে সরকার নো কিংস’ স্লোগানে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের সমাবেশ প্রশাসনে বড় রদবদল: ১১ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, সংকট মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজের আহ্বান মন্ত্রীর বিদ্যুৎ গ্রাহকদের জন্য সুখবর: প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ বাতিলের ঘোষণা গ্রামীণ সড়কে আমূল পরিবর্তনের ঘোষণা: দুর্নীতিমুক্ত উন্নয়নে জোর মন্ত্রীর

তুচ্ছ বাকবিতণ্ডা থেকে রক্তাক্ত হামলা—কলাপাড়ায় কেচি বিদ্ধ যুবক, হত্যা চেষ্টার অভিযোগ

রিপোর্টার: / ২৯ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬

তুচ্ছ বাকবিতণ্ডা থেকে রক্তাক্ত হামলা—কলাপাড়ায় কেচি বিদ্ধ যুবক, হত্যা চেষ্টার অভিযোগ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুছা হাওলাদার নামে এক যুবকের ওপর চুল কাটার কেচি দিয়ে নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হামলার ঘটনায় স্থানীয়ভাবে আলোচিত এক হত্যা মামলার আসামি ও সদ্য ৫ নম্বর নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল থেকে বহিষ্কৃত এক নেতার আত্মীয় সবুজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।

রোববার (দুপুর ১২টা) উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা মুছাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আহত মুছা হাওলাদার উপজেলার কুমিরমারা গ্রামের আ. রহিম হাওলাদারের ছেলে। এ ঘটনায় মস্তফাপুর গ্রামের আ. রাজ্জাক হাওলাদারের ছেলে সবুজ ও সুমনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

আহতের বড় ভাই সোহেল হাওলাদার জানান, মুছা চুল কাটানোর জন্য পাখিমারা বাজারের একটি সেলুনে গেলে সেখানে সবুজের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সবুজ ও সুমন মিলে তার ওপর হামলা চালায়। তিনি অভিযোগ করেন, হত্যার উদ্দেশ্যে মুছার পেটে কেচি দিয়ে আঘাত করা হলে আত্মরক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে কেচিটি তার হাত ভেদ করে এপাশ-ওপাশ হয়ে যায়।

এদিকে, আহত মুছার মা ও বড় বোন হাসপাতালে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাদের আহাজারিতে হাসপাতাল এলাকায় হৃদয়বিদারক পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তারা দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

অভিযুক্ত সবুজ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে ১০-১২ জন তাকে মারধর করে এবং তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। মুছার হাতে কেচি ঢুকিয়ে দেওয়ার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে দাবি করেন।

কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম জানান, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ