• সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৫২ থানায় সম্মেলন বাস্তবায়নে সাংগঠনিক উন্নয়ন সভার উদ্যোগ বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ঢাকা মহানগরের চুনারুঘাটে পুত্রবধূর ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শ্বশুরের বিরুদ্ধে মামলা, ঘরে আগুন দেওয়ারও অভিযোগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগে ঢাবিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ, নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি আরেকটি বিপ্লব আসন্ন’, দেশবাসীকে প্রস্তুতির আহ্বান জামায়াত আমিরের জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে সংরক্ষিত হবে বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছয় মাসের কর্মমূল্যায়নে মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলের আভাস, পরিবর্তনের তালিকায় একাধিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় নারীকেন্দ্রিক অভিযোজন কৌশল, সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে বড় বিনিয়োগ ফ্রি কোটা অর ডাই’ লিখে রাজপথে প্রতিবাদের প্রতীক: জুলাই আন্দোলনের সাহসী মুখ আব্দুল্লাহ আল মামুন শেখ হাসিনার বিচার নিশ্চিত করতে হবে’—এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বিভেদের রাজনীতি চললে স্বৈরাচারের ফেরার সুযোগ তৈরি হবে’—রুহুল কবির রিজভী

ফ্রিজে কতদিন নিরাপদ থাকে মাছ-মাংস? খাদ্য সংরক্ষণে সচেতন না হলে বাড়তে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকি

রিপোর্টার: / ১২৮ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬

ফ্রিজে কতদিন নিরাপদ থাকে মাছ-মাংস? খাদ্য সংরক্ষণে সচেতন না হলে বাড়তে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকি

লাইফস্টাইল ডেস্ক:

পরিবারের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে শুধু পুষ্টিকর খাবার গ্রহণই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক উপায়ে খাদ্য সংরক্ষণও। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষ অনিরাপদ ও দূষিত খাবার খেয়ে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হন। অনেক সময় খাবার দেখতে বা গন্ধে স্বাভাবিক মনে হলেও তাতে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে, যা খাদ্যবাহিত রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

তাই মাছ, মাংস কিংবা টিনজাত খাবার কতদিন এবং কীভাবে সংরক্ষণ করা উচিত, সে বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি।

গরুর মাংস কতদিন রাখা যাবে?

কাঁচা গরুর মাংস, বিশেষ করে স্টেক বা রোস্ট ধরনের মাংস ফ্রিজারের উপযুক্ত তাপমাত্রায় ৪ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। তবে কিমা করা গরুর মাংস ৩ থেকে ৪ মাসের বেশি রাখা নিরাপদ নয়। অন্যদিকে রান্না করা গরুর মাংস সাধারণত ২ থেকে ৩ মাস পর্যন্ত ভালো থাকে।

মুরগির মাংস সংরক্ষণ

আস্ত মুরগি ফ্রিজারে প্রায় এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা সম্ভব। তবে মুরগির ব্রেস্ট, থাই বা অন্যান্য অংশ ৯ মাস পর্যন্ত এবং কিমা বা গিবলেট ৩ থেকে ৪ মাস পর্যন্ত রাখা নিরাপদ বলে মনে করা হয়।

সামুদ্রিক মাছের ক্ষেত্রে সতর্কতা

সব ধরনের মাছ সমান সময় ভালো থাকে না। চর্বিহীন মাছ, যেমন কোরাল বা কড, ৬ থেকে ৮ মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। তবে চর্বিযুক্ত মাছ, যেমন ইলিশ বা স্যামন, ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে ব্যবহার করাই উত্তম। দীর্ঘদিন রাখলে মাছের স্বাদ ও গুণগত মান নষ্ট হতে পারে।

টিনজাত খাবার কতদিন ভালো থাকে?

টিনজাত বা ক্যানজাত খাবার দীর্ঘদিন সংরক্ষণের জন্য জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। সাধারণত এসব খাবার ২ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত ভালো থাকতে পারে। তবে ক্যান ফোলা, মরিচা ধরা বা ছিদ্রযুক্ত হলে তা খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। কারণ এসব লক্ষণ খাবার নষ্ট হওয়ার ইঙ্গিত দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, ক্যান খোলার পর অবশিষ্ট খাবার টিনের পাত্রে না রেখে দ্রুত অন্য একটি পরিষ্কার ও বায়ুরোধী পাত্রে স্থানান্তর করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হবে।

সুস্থ থাকতে যা মনে রাখবেন

খাদ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে শুধু সময়সীমা নয়, সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন সংরক্ষিত খাবার ব্যবহারের আগে এর গন্ধ, রং ও গঠন ভালোভাবে পরীক্ষা করা উচিত। নিরাপদ খাদ্যাভ্যাস ও সঠিক সংরক্ষণ পদ্ধতি অনুসরণ করলে পরিবারের সদস্যদের খাদ্যবাহিত নানা রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ