• শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-৮ এ ধানের শীষের জয়: ৫ হাজার ৬৯৬ ভোটে এগিয়ে মির্জা আব্বাস,,,, ঢাকা-৮ আসনে বাতিল ভোট পুনঃগণনার দাবি: ফলাফল টেম্পারিংয়ের অভিযোগ এনসিপির,,,, শান্তিপূর্ণ ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা: সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জাপানের নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ,,, রয়টার্সের বিশ্লেষণ: প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান,,, ৪২ হাজারের বেশি ভোটকেন্দ্র, অর্ধেক ঝুঁকিপূর্ণ—ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা,,, ভয় নয়, সাহস নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যান—১৭ বছরের নীরবতার জবাব দেবে ব্যালট: প্রধান উপদেষ্টা,,, কলাপাড়ায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে রাজনীতিবিদদের ভূমিকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের জমজমাট বিতর্ক,,, কলাপাড়ায় গোলগাছের রসে তৈরি ভিন্নস্বাদের গুড়, বাড়তি আয়ের নতুন সম্ভাবনা,,, গ্রামেই মিলছে দ্রুত ন্যায়বিচার: কলাপাড়ার ধুলাসার ইউনিয়নে ২৩ মাসে ১১২ মামলা নিষ্পত্তি,,,

তালতলীতে জমি লিচ নিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ৪০৭ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১

তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃবরগুনার তালতলীতে একটি মাছের ঘের ৬ বছরের লিখিত চুক্তিতে লিচ নিয়েও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার অভিযোগ ঘের মালিক মিঃ মংতাহানের বিরোদ্দে।

বুধবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক দের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন রাসেল হাওলাদারের স্ত্রী নিপা বেগম। অভিযোগে সূত্রে জানাগেছে, ২০১৮ একটি মাছের ঘের ১০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প (নং ক হ – ৬১৬২২৮৩)লিখিত চুক্তিতে ৬ বছর মেয়াদি লিচ নেয় তালতলী বন্দরের বাসিন্দা রাসেল হাওলাদার। চুক্তিপত্রের ১নং স্বাক্ষি মংতাহানের স্ত্রী মাথান চিং সহ কয়েকজন। চুক্তির মেয়াদ ২০২৩ সাল পর্যন্ত। কিন্তু লিচের মেয়াদ তিন বছর পার হতেই ওই জমি নতুন করে মংতাহান লিচ দেয় হোমিও ব্যবসায়ী চুন্নু মিয়ার কাছে এরপর ঐ ঘের চুন্নু মিয়া মিঃ মংতাহানকে নিয়ে দখলের চেস্টা চালায়। এবং চুক্তিপত্র ভূয়াবলে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করে।

নিপা বেগম আরো বলেন,মিঃ মং তাহান ও তার স্ত্রী মাথান চিংসহ পরিবারের ছয়জন মাথান চিংএর ভাইয়ের ছেলে উথেয়েনকে জমি বিক্রি করার জন্য রেজিস্ট্রি পাওয়ার দেয়। ঐ রেজিস্ট্রি পাওয়ারের বলে উথেয়েন জমি বিক্রয় করার কথা বলে,আলমগির হাওলাদার, সেলিম মিয়া , মাসুদ ,নসুমৃধা, কুদ্দুস সহ উপজেলার বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পালিয়েগেছে।
তারা প্রতারণা করে উল্টো আমার স্বামী সহ আমার স্বজনদের বিরোদ্দে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে।আমি ঘেরের চুক্তিপত্রের স্বাক্ষর
পরিক্ষা করার অনুরোধ করছি। আমি এই মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর বিচার চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ